মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে তোলপাড়। SSC নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এদিন সকাল থেকেই একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। চারটি জায়গার মধ্যে অন্যতম ছিল বড়ঞার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়ি।
ইডির গাড়ি বাড়ির সামনে পৌঁছাতেই চাঞ্চল্যকর দৃশ্য। অভিযোগ, পাঁচিল টপকে পালানোর চেষ্টা করেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। তবে শেষমেশ ইডি আধিকারিকরা তাঁকে ধরে ফেলেন। এখানেই থেমে থাকেননি বিধায়ক। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন—তল্লাশিতে আসতে দেখে নিজের মোবাইল ফোন ঝোপের মধ্যে ছুড়ে দেন তিনি। পরে খোঁজাখুঁজি করে বিধায়কের দুইটি ফোন উদ্ধার করে ইডি।
উল্লেখ্য, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল—CBI বাড়ি তল্লাশি চালাতে এলে নিজের দুটি ফোন পুকুরে ফেলে দেন তিনি।
শুধু বড়ঞা নয়, একই মামলায় এদিন রাজারহাট, পুরুলিয়া এবং সাঁইথিয়াতেও তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। জীবনকৃষ্ণ সাহার আত্মীয়া তথা সাঁইথিয়ার কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়িতেও হানা দেয় সংস্থা। মিডলম্যান প্রসন্ন রায়ের সম্পত্তি সংক্রান্ত নথি ও সূত্র খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
উল্লেখ্য, শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতিতে এর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিলে গ্রেফতার হয়েছিলেন বড়ঞার এই তৃণমূল বিধায়ক। পরে সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।
ফলে ফের একবার নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় জীবনকৃষ্ণ সাহা শিরোনামে, এবং প্রশ্ন উঠছে—তদন্তে সামনে আসবে আর কী কী চাঞ্চল্যকর তথ্য?
ডিসিএন নিউজ, বনগাঁ, উত্তর ২৪ পরগনা।
প্রতিবেদন: বাবণ দাস

