DCN NEWS | বাবণ দাসের রিপোর্ট | কলকাতা | ৯ জুলাই, ২০২৫রাজ্য সরকার বনাম সরকারি কর্মীদের টানাপোড়েন যেন আরও চড়ছে। সর্বভারতীয় ধর্মঘটের প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের তরফে জারি হওয়া নির্দেশিকা ঘিরে শুরু হয়েছে আইনি যুদ্ধ।সোমবার নবান্নের অডিট শাখা থেকে স্পষ্ট নির্দেশিকা আসে—৯ জুলাই (বুধবার) অফিসে হাজিরা বাধ্যতামূলক। ছুটি নিলে তা ‘ডাইস নন’ (অর্থাৎ কাজের দিন নয়) হিসাবে গণ্য হবে এবং বেতন কাটা যাবে। এমনকী, শোকজ নোটিশও পাঠানো হবে কর্মীদের।
এই নির্দেশিকার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত কর্মচারী সমিতির জয়েন্ট কমিটি মঙ্গলবার আইনি নোটিশ পাঠায় রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবকে। আইনজীবী দীপজ্যোতি চক্রবর্তীর মাধ্যমে পাঠানো ওই নোটিশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘটে অংশ নেওয়ার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত। রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি ভীতিপ্রদর্শন এবং সংবিধানবিরোধী।
নোটিশে এ-ও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজ্য সরকারের এই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার না করলে বৃহত্তর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কী আছে নবান্নের নির্দেশিকায়?৯ জুলাই কোনো ক্যাজুয়াল লিভ বা অন্যান্য ছুটি গ্রহণ করা যাবে না।ছুটি নিলে ডাইস নন বলে বিবেচিত হবে, অর্থাৎ বেতন কাটা হবে।অনুপস্থিত কর্মীদের শোকজ নোটিশ পাঠানো হবে।যথাযথ নথিপত্র ছাড়া ছুটি গ্রাহ্য হবে না।যাঁরা ছাড় পাবেন:যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি,যাঁদের পরিবারে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে,পূর্বেই মঞ্জুর হওয়া চাইল্ড কেয়ার, মাতৃত্বকালীন, মেডিক্যাল বা আর্নড লিভের আওতাধীন কর্মীরা।
বিতর্কের কেন্দ্রে কী?
এই ধর্মঘট ডেকেছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি, যাতে বহু শ্রমিক সংগঠন অংশ নিয়েছে। অথচ, সর্বভারতীয় ধর্মঘট সত্ত্বেও রাজ্যে সব সরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। তারই প্রতিবাদে পঞ্চায়েত কর্মীদের আইনি লড়াই শুরু।
📌 DCN NEWS ডেস্ক 👉 সরকারি নীতির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ কতদূর গড়ায়, এখন নজর সেদিকে।
🖊️ প্রতিবেদন: বাবণ দাস

