Thursday, April 16, 2026
HomeBreaking Newsরাজ্যে ২৬শে নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর বড়সড়ক ঘোষণা পুজো কমিটিকে এক লক্ষ দশ...

রাজ্যে ২৬শে নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর বড়সড়ক ঘোষণা পুজো কমিটিকে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা করে অনুদান মুখ্যমন্ত্রীর।

শারদ উপহারে ঢালাও ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! পুজো কমিটিকে এবার ১.১০ লক্ষ টাকা, বিদ্যুতে ছাড়, করেও ছাড়

 

ডিজিসি নিউজ ডেস্ক | কলকাতা, ৩১ জুলাই ২০২৫

 

দুর্গোৎসবের আগেই রাজ্যের পুজো উদ্যোক্তাদের জন্য খুশির খবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি বছরে রাজ্যের প্রতিটি দুর্গাপুজো কমিটিকে এক লক্ষ দশ হাজার (₹১,১০,০০০) টাকা করে অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করলেন তিনি। গত বছর এই অনুদান ছিল আশি হাজার টাকা। অর্থাৎ এবছর অনুদান বাড়ল একধাক্কায় ৩০ হাজার টাকা।

 

পুজো কমিটিগুলির আর্থিক দায় কিছুটা লাঘব করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু অনুদানই নয়, বিদ্যুৎ বিলে বিশেষ ছাড় এবং কর সংক্রান্ত একাধিক ছাড়েরও ঘোষণা করেছেন তিনি।

 

পুজো মানেই বাংলার উৎসব, মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

 

নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,

“পুজো বাংলার আবেগ, সংস্কৃতি আর আত্মপরিচয়ের উৎস। রাজ্যের প্রতিটি পুজো কমিটিকে আমরা সহযোগিতা করতে চাই। সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণকে আরও উৎসাহ দিতে সরকার পাশে থাকবে।”

 

তিনি আরও জানান,

 

রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে পুজোর সময় বিদ্যুৎ বিলে ছাড় দেওয়া হবে।

 

কর্পোরেশন/মিউনিসিপ্যালিটিতে লাইসেন্স ফি-সহ একাধিক খরচে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে।

 

পুজো কমিটির নথিভুক্তি প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হয়েছে।

 

 

সংস্কৃতির সঙ্গে রাজনীতি নয়, সহযোগিতাই মুখ্য: প্রশাসন

 

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, এই অনুদান এবং ছাড় শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য নয়, বাংলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ। উল্লেখ্য, ইউনেস্কো-র তরফে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকেই দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য সরকারের সক্রিয়তা বেড়েছে।

 

প্যান্ডেল-আলো-সুরের উৎসবে আরও জাঁকজমক আশা পুজো উদ্যোক্তাদের

 

পুজো কমিটির সদস্য এবং উদ্যোক্তাদের অনেকে বলছেন, এই আর্থিক অনুদান ও ছাড় তাদের পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। অনেক মধ্যবিত্ত পাড়া পুজোই এবার আরও বড় করে ভাবতে পারবে।

 

এক পুজো কমিটির সদস্য বলেন,

“প্রতিবছর বাজেট নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় অনেকটাই স্বস্তি পাচ্ছি। সাধারণ মানুষকে আরও ভালো কিছু দিতে পারব।”

 

বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের রাজনীতিই আসল উদ্দেশ্য!

 

যদিও বিরোধী শিবির মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে রাজনৈতিক চমক বলেই ব্যাখ্যা করছে। বিজেপি-র রাজ্য নেতারা বলছেন,

“এটা জনগণের টাকা দিয়ে পুজো কমিটির মন জয় করার চেষ্টা। সরকার যখন বেতন, চাকরি, স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যর্থ, তখন উৎসবে টাকা বিলিয়ে মুখ রক্ষা করার কৌশল নিচ্ছে।”

 

শেষ কথা

 

রাজনীতির পাল্টাপাল্টি বক্তব্য থাকলেও, পুজোর আনন্দে আপাতত সেইসব চাপা পড়ে যেতে বসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঘোষণায় রাজ্যের পাড়ায় পাড়ায় পুজোর প্রস্তুতি যেন নতুন করে জোর পেয়েছে।

 

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular