Thursday, April 16, 2026
HomeBreaking NewsWB মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষাকর্মীর অভাব, দুর্বল পরিকাঠামো, কেন্দ্রীয় রিপোর্টে স্বাস্থ্যে বিপর্যস্ত বাংলার...

WB মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষাকর্মীর অভাব, দুর্বল পরিকাঠামো, কেন্দ্রীয় রিপোর্টে স্বাস্থ্যে বিপর্যস্ত বাংলার চিত্র

DCN NEWS রিপোর্ট | তারিখ: ৩১ জুলাই, ২০২৫ WB মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষাকর্মীর অভাব, দুর্বল পরিকাঠামো, কেন্দ্রীয় রিপোর্টে স্বাস্থ্যে বিপর্যস্ত বাংলার চিত্র,রাজ্যের স্বাস্থ্যশিক্ষা ব্যবস্থার পরিকাঠামো এবং শিক্ষাগত মান নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেল। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের রাজ্যসভায় করা প্রশ্নের লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের স্বীকারোক্তি, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ২৬টি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট (MD/MS) সিট কমিয়ে দিয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন (NMC)।

 

এর কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে:

শিক্ষাকর্মীর ঘাটতি

পরিকাঠামোর দুর্বলতাপর্যাপ্ত রোগীর অভাব নাম উঠে এসেছে রাজ্যের বেশ কিছু খ্যাতনামা মেডিক্যাল কলেজের— NRS, আর.জি. কর, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ—যেখানে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্সের আসন সংখ্যা কমানো হয়েছে।

 

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৩৪টি মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষার গুণগত মান ও ক্লিনিক্যাল পরিষেবার ক্ষেত্রে গুরুতর ঘাটতি চিহ্নিত হয়েছে। যা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭টি কলেজে।

 

সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য— হাওড়ার সঞ্জীবন মেডিক্যাল কলেজ কোনওরকম NMC অনুমোদন ছাড়াই চালানো হচ্ছে।

 

এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা।

 

➡️ বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ-র অভিযোগ:

“সারা দেশে মেডিক্যাল আসন সংখ্যা বাড়ছে। অথচ পশ্চিমবঙ্গে উল্টো চিত্র। পরিকাঠামো নেই, সেই কারণে আসন কমছে। মেডিক্যাল কলেজগুলোর অবস্থা দুর্বিষহ। কেন্দ্রীয় তথ্যই প্রমাণ দিচ্ছে রাজ্যের ব্যর্থতার।”

 

➡️ তৃণমূল মুখপাত্র ও চিকিৎসক কৌশিক বিশ্বাসের পাল্টা বক্তব্য:

“NMC নিজেই দুর্নীতিগ্রস্ত। ঘুষ নিয়ে ধরা পড়ছে ইনস্পেক্টর, CBI তদন্ত চালাচ্ছে। বিজেপি আগে নিজের ঘর সামলাক। বাংলার সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ চলছে। এটা কেন্দ্রের প্রতিহিংসা।”

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এই রিপোর্ট বাংলার স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যবস্থার উপর গভীর প্রশ্ন তুলেছে। শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকরা উৎকণ্ঠায়—কীভাবে উন্নত হবে রাজ্যের মেডিক্যাল শিক্ষার মান? ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের এই মূল্যায়ন কি শুধুই নিরপেক্ষ পর্যালোচনা, না কি এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য? রাজ্য সরকার এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, সেদিকে নজর রাখছে গোটা রাজ্য।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular